ফরিদগঞ্জ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ এক সপ্তাহে ২০ চুরি, আতঙ্কে ফরিদগঞ্জবাসী ফরিদগঞ্জে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এর মধ্যস্থতায় পাউবির খাছ বিক্রি! থানায় অভিযোগ গাব্দেরগাঁও গ্রামে আদালতের রায়ের পরও মিলছে না জমির দখল ফরিদগঞ্জে তিনদিন ব্যাপি পিআইবি’র প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন ফরিদগঞ্জে সরকারি সম্পত্তি দখল করে ভবণ নির্মাণের অভিযোগ ১২ বছর পালিয়েও চাকরি বহাল! ফরিদগঞ্জে মাদ্রাসা সুপারের নজিরবিহীন জালিয়াতি ফাঁকা ঘরই ছিল টার্গেট।। দক্ষিণ শাশিয়ালীতে প্রবাসীর কষ্টার্জিত সম্পদ চুরি ফরিদগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে বসতঘরে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৪

ফরিদগঞ্জে মহাসড়ক গিলে খাচ্ছে মাছ 

শামীম হাসান
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ৫৩৫ বার পড়া হয়েছে
মহাসড়ক ছেড়ে মাছের খামারে আশ্রয় নেওয়া নারিকেল গাছগুলো দেখেই বুঝতে বাকি থাকেনা মহাসড়ক গিলে খাচ্ছে মাছে। এ চিত্র ফরিদগঞ্জ পৌরসভাস্থ চরকুমিরা এলাকায় (সাবেক বেইলী ব্রীজ) চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশেই গড়ে উঠেছে মাছের খামার। খামারের তিন পাড় সুরক্ষায় ব্যবস্থা থাকলেও আঞ্চলিক মহাসড়কের সুরক্ষায় গাইডওয়াল কিংবা অন্য কোন ব্যবস্থা না থাকায় মহাসড়কের মাটি গিলে খেয়েছে মাছ। ফলে ইতোমধ্যেই ফুটপাত বিলীন হয়েছে খামারে। মহাসড়কের পাশে থাকা গাছগুলো হেলে পড়েছে খামারের বুকে। গোড়ার মাটি সরে সড়কের পাশে থাকা নিরাপত্তা খুঁটির বেশ কয়েকটি খামারে গিয়ে পড়েছে। সড়কের পাদদেশে মাছের বড় বড় গর্ত থাকায় যেকোন সময় সড়কে ধ্বস নামার আশঙ্কা তৈরী হয়েছে।
বছরের শেষ প্রান্ত। ইতোমধ্যেই নতুন করে খামার ইজারা দিতে তোড়জোড় চলছে। দায়সারা গোছে সড়কের দু’পাশে মাটি ফেলছে খামার কর্তৃপক্ষ। মৌসুমের শুরুতে বরাবরের ন্যায় সে মাটি খামারে বিলীন হয়ে যাবে বলে মন্তব্য স্থানীয়দের। খামার থেকে চাষী-মহাজনরা লাভবান হলেও মহাসড়ক সুরক্ষায় পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হলে উপজেলাবাসীর পাশাপাশি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রামের বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপশি সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে ধারনা তাদের।
স্থানীয়রা আরো জানিয়েছেন, প্রতি বছর বিশাল অঙ্কে ইজারা হয় মাছের খামার। তা সত্ত্বেও মহাসড়ক রক্ষায় স্থায়ী পদক্ষেপ নিচ্ছেনা খামার কর্তৃপক্ষ। উদাসীন মহাসড়ক সুরক্ষায় নিয়োজিত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও। স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ ব্যতীত খামার ইজারা নয়, এমন দাবী জানিয়েছেন তারা। এক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্বশীল দপ্তরগুলো দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফরিদগঞ্জে মহাসড়ক গিলে খাচ্ছে মাছ 

আপডেট সময় : ০১:১৭:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩
মহাসড়ক ছেড়ে মাছের খামারে আশ্রয় নেওয়া নারিকেল গাছগুলো দেখেই বুঝতে বাকি থাকেনা মহাসড়ক গিলে খাচ্ছে মাছে। এ চিত্র ফরিদগঞ্জ পৌরসভাস্থ চরকুমিরা এলাকায় (সাবেক বেইলী ব্রীজ) চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশেই গড়ে উঠেছে মাছের খামার। খামারের তিন পাড় সুরক্ষায় ব্যবস্থা থাকলেও আঞ্চলিক মহাসড়কের সুরক্ষায় গাইডওয়াল কিংবা অন্য কোন ব্যবস্থা না থাকায় মহাসড়কের মাটি গিলে খেয়েছে মাছ। ফলে ইতোমধ্যেই ফুটপাত বিলীন হয়েছে খামারে। মহাসড়কের পাশে থাকা গাছগুলো হেলে পড়েছে খামারের বুকে। গোড়ার মাটি সরে সড়কের পাশে থাকা নিরাপত্তা খুঁটির বেশ কয়েকটি খামারে গিয়ে পড়েছে। সড়কের পাদদেশে মাছের বড় বড় গর্ত থাকায় যেকোন সময় সড়কে ধ্বস নামার আশঙ্কা তৈরী হয়েছে।
বছরের শেষ প্রান্ত। ইতোমধ্যেই নতুন করে খামার ইজারা দিতে তোড়জোড় চলছে। দায়সারা গোছে সড়কের দু’পাশে মাটি ফেলছে খামার কর্তৃপক্ষ। মৌসুমের শুরুতে বরাবরের ন্যায় সে মাটি খামারে বিলীন হয়ে যাবে বলে মন্তব্য স্থানীয়দের। খামার থেকে চাষী-মহাজনরা লাভবান হলেও মহাসড়ক সুরক্ষায় পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। মহাসড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হলে উপজেলাবাসীর পাশাপাশি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাথে বাণিজ্য নগরী চট্টগ্রামের বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপশি সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে ধারনা তাদের।
স্থানীয়রা আরো জানিয়েছেন, প্রতি বছর বিশাল অঙ্কে ইজারা হয় মাছের খামার। তা সত্ত্বেও মহাসড়ক রক্ষায় স্থায়ী পদক্ষেপ নিচ্ছেনা খামার কর্তৃপক্ষ। উদাসীন মহাসড়ক সুরক্ষায় নিয়োজিত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও। স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ ব্যতীত খামার ইজারা নয়, এমন দাবী জানিয়েছেন তারা। এক্ষেত্রে সরকারের দায়িত্বশীল দপ্তরগুলো দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে প্রত্যাশা তাদের।