ফরিদগঞ্জ ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ঘিরে অভিযোগের পাহাড় ফরিদগঞ্জে জরুরি বিভাগ চিকিৎসা নিতে ডিমান্ড করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ।। ভিডিও ভাইরাল ফরিদগঞ্জে নানা আয়োজনে হাদিয়া ফাউন্ডেশনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এক জমি দুইবার রেজিস্ট্রি ফরিদগঞ্জে খেলার মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন চাকরি ফেরানোর স্বপ্নে প্রধান শিক্ষকে দেড় লাখ টাকা ঘুষ ফরিদগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ফরিদগঞ্জে নিয়োগের পর ৬ মাসই অনুপস্থিত, হঠাৎ হাজিরা খাতায় সই ফরিদগঞ্জে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার অঙ্গীকার নিয়ে মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্বোধন ফরিদগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন : সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ফরিদগঞ্জে জরুরি বিভাগ চিকিৎসা নিতে ডিমান্ড করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ।। ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:১৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে রোগীর স্বজনের কাছ থেকে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মী নূর হোসেনের বিরুদ্ধে। রোগীর ভাঙা পায়ের প্লাস্টার-সংক্রান্ত সেবা দিতে এক হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীর ছেলে মোস্তফা। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। অভিযোগকারী মোস্তফা জানান, গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি তাঁর বাবাকে চিকিৎসার জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে বাবার ভাঙা পায়ের প্লাস্টার-সংক্রান্ত কাজের জন্য কর্তব্যরত নূর হোসেন তাঁর কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে মোস্তফা ৫০০ টাকা দিতে চাইলে তা গ্রহণে আপত্তি জানানো হয়। মোস্তফার দাবি, এ সময় নূর হোসেন তাঁকে বলেন, হাতের প্লাস্টার হলে ৫০০ টাকা নেওয়া যেত, কিন্তু পায়ের প্লাস্টারের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে না। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া একটি ভিডিও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
তবে সচেতন মহলের দাবি প্লাস্টার-সংক্রান্ত ওই সেবার জন্য সরকারি কোনো নির্ধারিত ফি রয়েছে কি না, থাকলে তার পরিমাণ কত, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নূর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফরিদগঞ্জে জরুরি বিভাগ চিকিৎসা নিতে ডিমান্ড করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ।। ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় : ০৬:১৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে রোগীর স্বজনের কাছ থেকে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে কর্তব্যরত স্বাস্থ্যকর্মী নূর হোসেনের বিরুদ্ধে। রোগীর ভাঙা পায়ের প্লাস্টার-সংক্রান্ত সেবা দিতে এক হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগীর ছেলে মোস্তফা। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ছয় লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলায় রয়েছে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। অভিযোগকারী মোস্তফা জানান, গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি তাঁর বাবাকে চিকিৎসার জন্য ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে বাবার ভাঙা পায়ের প্লাস্টার-সংক্রান্ত কাজের জন্য কর্তব্যরত নূর হোসেন তাঁর কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে মোস্তফা ৫০০ টাকা দিতে চাইলে তা গ্রহণে আপত্তি জানানো হয়। মোস্তফার দাবি, এ সময় নূর হোসেন তাঁকে বলেন, হাতের প্লাস্টার হলে ৫০০ টাকা নেওয়া যেত, কিন্তু পায়ের প্লাস্টারের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে না। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া একটি ভিডিও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
তবে সচেতন মহলের দাবি প্লাস্টার-সংক্রান্ত ওই সেবার জন্য সরকারি কোনো নির্ধারিত ফি রয়েছে কি না, থাকলে তার পরিমাণ কত, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করা প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নূর হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জুয়েল বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।