ফরিদগঞ্জে ২য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় লম্পট অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার, আদালতে জবানবন্দি
- আপডেট সময় : ০২:১৭:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ফরিদগঞ্জে স্কুলে যাওয়ার পথে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (৮) অটোরিকশার ভেতরে নির্জন স্থানে নিয়ে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত অটোরিকশা চালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে উপজেলার ভাটিয়ালপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত লম্পট চালকের নাম ছিদ্দিক হাওলাদার (৪০)। ধর্ষক চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের বাখরপুর গ্রামের নানু হাওলাদারের ছেলে।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি চরদুঃখীয়া পশ্চিম ইউনিয়নের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ছিদ্দিক হাওলাদারের ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠে শিশুটি। পথে সুযোগ বুঝে চালক নির্জন স্থানে অটোরিকশা থামিয়ে শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শিশুটি মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়িতে ফিরে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে স্বজনরা তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। এ পাশবিক ঘটনায় শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে অজ্ঞাতনামা অটোরিকশা চালককে আসামি করে ফরিদগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার পরপরই আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে পুলিশ। ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মগোপনে চলে যান। তথ্যপ্রযুক্তি ও আধুনিক নজরদারির মাধ্যমে আমরা চালক ছিদ্দিক হাওলাদারকে শনাক্ত করি এবং শনিবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ছিদ্দিক পুলিশের কাছে অপরাধের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, রবিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাঁকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।















