ফরিদগঞ্জ ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জে সরকারি সম্পত্তি দখল করে ভবণ নির্মাণের অভিযোগ ১২ বছর পালিয়েও চাকরি বহাল! ফরিদগঞ্জে মাদ্রাসা সুপারের নজিরবিহীন জালিয়াতি ফাঁকা ঘরই ছিল টার্গেট।। দক্ষিণ শাশিয়ালীতে প্রবাসীর কষ্টার্জিত সম্পদ চুরি ফরিদগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে বসতঘরে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ, আহত ৪ ফরিদগঞ্জে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে কিশোর নিহত, আহত ৪ ফরিদগঞ্জে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে ২৫ বছরের দ্বৈত চাকরির অভিযোগ স্কুল ফেলে ভূমি অফিসে প্রাথমিকের শিক্ষকরা! প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রাথমিক বৃত্তি পেলো রাফি আহমেদ একই আকাশে দুই তারার দীপ্তি, ট্যালেন্টপুলে জমজ দুই বোন

ফরিদগঞ্জে পৌর মেয়রের পদত্যাগের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজের অবস্থান কর্মসূচি

শামীম হাসান
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪ ৬১৬ বার পড়া হয়েছে

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারির পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রসমাজ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে পৌর মেয়রের পদত্যাগের দাবিতে একটি মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা। পরে সকাল দশটা থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌরসভার চত্বরে চলে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি। অবস্থান কর্মসূচিতে ছাত্রসমাজের পক্ষে বক্তব্য রাখেন শাকিল মুশফিক, ইমাম হোসেন, মো. আতিক হোসেন, জিহাদুল ইসলাম। এসময় তারা বলেন, পৌরসভাটি খ শ্রেণি থেকে ক শ্রেণিতে উন্নিত হলেও সেবার মান বাড়ে নি। বরং দূর্নীতি বেড়েছে। এই ফ্যাসিবাদ মেয়র পৌরসভাকে অনিয়মের তীর্থস্থান হিসেবে গড়ে তুলে নিজে ও তার মেয়ে মিলে তৈরি করেছেন কালো টাকার পাহাড়। বৈষম্য মূলক আচরণের মাধ্যমে অটোরিকশা চালক থেকে শুরু করে এমন কোন শ্রেণী পেশার মানুষ নেই যাদের সাথে অন্যায় আচরণ করেনি। তাই আমরা এই ফ্যাসিবাদ মেয়রের পদত্যাগ দাবি করছি। একই সাথে তার দোসর অর্থ কেলেঙ্কারির মূল হোতা পৌরসভার ক্যাশিয়ার গিয়াস উদ্দিনেরও পদত্যাগ দাবি করেন তারা। এছাড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের গণহত্যাকারী খুনিদের দ্রুত বিচার ও ফরিদগঞ্জের সকল দপ্তরের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।
এদিকে একই সময়ে ছাত্র সমাজের ব্যানারে আরেকটি দল পৌরসভার সামনে অটোবাইক দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। তারাও পৌর মেয়রের পদত্যাগ দাবি করেন।

নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ফরিদগঞ্জ বাজারের অটোচালকদের কাছ থেকে লাইসেন্সের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, শুধুমাত্র দলীয় নেতা কর্মীদের মাস্টাররুলে পৌরসভায় চাকরির প্রধান, বিভিন্ন প্রকল্প থেকে কমিশন বাণিজ্য, দুর্নীতি করে নিজের মেয়েকে দিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করা, সালিশি বাণিজ্য, দলীয় ক্যাডার দিয়ে চাঁদাবাজি, কালো টাকায় বিভিন্ন স্থানে একাধিক বহুতল বাড়ি নির্মাণ। জোর জবরদস্তি করে ইচ্ছেমতো মনগড়া ভাবে বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা সহ নানা অভিযোগ রয়েছে এই পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফরিদগঞ্জে পৌর মেয়রের পদত্যাগের দাবিতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজের অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০১:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৪

ফরিদগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল খায়ের পাটওয়ারির পদত্যাগের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রসমাজ।

শনিবার (১৭ আগস্ট) সকালে পৌর মেয়রের পদত্যাগের দাবিতে একটি মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা। পরে সকাল দশটা থেকে দুপুর পর্যন্ত পৌরসভার চত্বরে চলে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি। অবস্থান কর্মসূচিতে ছাত্রসমাজের পক্ষে বক্তব্য রাখেন শাকিল মুশফিক, ইমাম হোসেন, মো. আতিক হোসেন, জিহাদুল ইসলাম। এসময় তারা বলেন, পৌরসভাটি খ শ্রেণি থেকে ক শ্রেণিতে উন্নিত হলেও সেবার মান বাড়ে নি। বরং দূর্নীতি বেড়েছে। এই ফ্যাসিবাদ মেয়র পৌরসভাকে অনিয়মের তীর্থস্থান হিসেবে গড়ে তুলে নিজে ও তার মেয়ে মিলে তৈরি করেছেন কালো টাকার পাহাড়। বৈষম্য মূলক আচরণের মাধ্যমে অটোরিকশা চালক থেকে শুরু করে এমন কোন শ্রেণী পেশার মানুষ নেই যাদের সাথে অন্যায় আচরণ করেনি। তাই আমরা এই ফ্যাসিবাদ মেয়রের পদত্যাগ দাবি করছি। একই সাথে তার দোসর অর্থ কেলেঙ্কারির মূল হোতা পৌরসভার ক্যাশিয়ার গিয়াস উদ্দিনেরও পদত্যাগ দাবি করেন তারা। এছাড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের গণহত্যাকারী খুনিদের দ্রুত বিচার ও ফরিদগঞ্জের সকল দপ্তরের দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তারা।
এদিকে একই সময়ে ছাত্র সমাজের ব্যানারে আরেকটি দল পৌরসভার সামনে অটোবাইক দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। তারাও পৌর মেয়রের পদত্যাগ দাবি করেন।

নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ফরিদগঞ্জ বাজারের অটোচালকদের কাছ থেকে লাইসেন্সের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায়, শুধুমাত্র দলীয় নেতা কর্মীদের মাস্টাররুলে পৌরসভায় চাকরির প্রধান, বিভিন্ন প্রকল্প থেকে কমিশন বাণিজ্য, দুর্নীতি করে নিজের মেয়েকে দিয়ে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ করা, সালিশি বাণিজ্য, দলীয় ক্যাডার দিয়ে চাঁদাবাজি, কালো টাকায় বিভিন্ন স্থানে একাধিক বহুতল বাড়ি নির্মাণ। জোর জবরদস্তি করে ইচ্ছেমতো মনগড়া ভাবে বিভিন্ন স্থানে পরিস্থিতি নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখা সহ নানা অভিযোগ রয়েছে এই পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে।