ফরিদগঞ্জ ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার অঙ্গীকার নিয়ে মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্বোধন ফরিদগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন : সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা গভীর রাতে জানালার গ্রিল কেটে হানা, গলায় দা ঠেকিয়ে লুট ২ ভরি স্বর্ণ কার দাপটে চলে ফরিদগঞ্জ রেজিস্ট্রি অফিস ৬০ হাজার টাকা উত্তোলন, এসএমএস এলো ১ লক্ষ টাকার নতুন নেতৃত্বে ‘স্বপ্নের ফরিদগঞ্জ’ ফরিদগঞ্জে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ দুই মাদক কারবারিকে গাছের সাথে বেধে গণধোলাই দিয়ে পুলিশ দিলো জনতা নিজের ঘর নেই, সড়কের পাশে বর্জ্য।। এ কেমন প্রথম শ্রেণির পৌরসভা! পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ মতবিনিময় সভা ও এটিএম বুথ উদ্বোধন

কাঁঠাল গাছ কাটতে বাধা, কুড়ালের কোপে রক্তাক্ত নারী

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৫১ বার পড়া হয়েছে

ফরিদগঞ্জে একটি কাঁঠাল গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে জমে থাকা বিরোধ মুহূর্তেই রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। গাছ কাটতে বাধা দেওয়ায় শম্পা রানী পাল (৪২) নামে এক নারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত শম্পা রানী পাল গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক।

পরিবার ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর পালবাড়ি এলাকার একটি জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই পরিবারের বাপ্পি পালের সঙ্গে শম্পা রানী পালের পরিবারের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে ওই জমিতে থাকা একটি কাঁঠাল গাছ কাটতে শুরু করেন বাপ্পি পাল। অফিসে যাওয়ার পথে বিষয়টি দেখে শম্পা রানী পাল গাছ কাটতে নিষেধ করেন এবং জমির বিরোধ নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত গাছ না কাটার অনুরোধ জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাপ্পি পাল হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে শম্পা রানী পালের মাথায় আঘাত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্বজনেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহতের স্বামী ও গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক শংকর পাল বলেন, ‘জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গাছ কাটতে নিষেধ করাতেই আমার স্ত্রীর ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্ত বাপ্পি পালের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কাঁঠাল গাছ কাটতে বাধা, কুড়ালের কোপে রক্তাক্ত নারী

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ফরিদগঞ্জে একটি কাঁঠাল গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে জমে থাকা বিরোধ মুহূর্তেই রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। গাছ কাটতে বাধা দেওয়ায় শম্পা রানী পাল (৪২) নামে এক নারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত শম্পা রানী পাল গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক।

পরিবার ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর পালবাড়ি এলাকার একটি জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই পরিবারের বাপ্পি পালের সঙ্গে শম্পা রানী পালের পরিবারের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে ওই জমিতে থাকা একটি কাঁঠাল গাছ কাটতে শুরু করেন বাপ্পি পাল। অফিসে যাওয়ার পথে বিষয়টি দেখে শম্পা রানী পাল গাছ কাটতে নিষেধ করেন এবং জমির বিরোধ নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত গাছ না কাটার অনুরোধ জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাপ্পি পাল হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে শম্পা রানী পালের মাথায় আঘাত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্বজনেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহতের স্বামী ও গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক শংকর পাল বলেন, ‘জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গাছ কাটতে নিষেধ করাতেই আমার স্ত্রীর ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্ত বাপ্পি পালের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’