ফরিদগঞ্জ ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৩৫ বছরের সংসার, তবু স্বামীর কাছে ‘অচেনা’ আফিয়া পাঁচ দশকের চেনা পথেই থামল তাহের মাস্টারের জীবন মন্ত্রী আসার গুঞ্জনেই পাল্টে গেল ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র গ্যারেজে যাওয়ার পথে নিখোঁজ, রাতে ডোবার কাদায় মিলল ইব্রাহিমের নিথর দেহ ফরিদগঞ্জ কে. আর. আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ফুটবল উৎসব দুর্যোগ মোকাবিলায় ৫২ স্কাউদেটের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ফরিদগঞ্জে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ এক সপ্তাহে ২০ চুরি, আতঙ্কে ফরিদগঞ্জবাসী ফরিদগঞ্জে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এর মধ্যস্থতায় পাউবির খাছ বিক্রি! থানায় অভিযোগ

কাঁঠাল গাছ কাটতে বাধা, কুড়ালের কোপে রক্তাক্ত নারী

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ৩১ বার পড়া হয়েছে

ফরিদগঞ্জে একটি কাঁঠাল গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে জমে থাকা বিরোধ মুহূর্তেই রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। গাছ কাটতে বাধা দেওয়ায় শম্পা রানী পাল (৪২) নামে এক নারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত শম্পা রানী পাল গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক।

পরিবার ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর পালবাড়ি এলাকার একটি জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই পরিবারের বাপ্পি পালের সঙ্গে শম্পা রানী পালের পরিবারের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে ওই জমিতে থাকা একটি কাঁঠাল গাছ কাটতে শুরু করেন বাপ্পি পাল। অফিসে যাওয়ার পথে বিষয়টি দেখে শম্পা রানী পাল গাছ কাটতে নিষেধ করেন এবং জমির বিরোধ নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত গাছ না কাটার অনুরোধ জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাপ্পি পাল হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে শম্পা রানী পালের মাথায় আঘাত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্বজনেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহতের স্বামী ও গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক শংকর পাল বলেন, ‘জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গাছ কাটতে নিষেধ করাতেই আমার স্ত্রীর ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্ত বাপ্পি পালের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কাঁঠাল গাছ কাটতে বাধা, কুড়ালের কোপে রক্তাক্ত নারী

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ফরিদগঞ্জে একটি কাঁঠাল গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে জমে থাকা বিরোধ মুহূর্তেই রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। গাছ কাটতে বাধা দেওয়ায় শম্পা রানী পাল (৪২) নামে এক নারীকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত শম্পা রানী পাল গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের অফিস সহায়ক।

পরিবার ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর পালবাড়ি এলাকার একটি জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই পরিবারের বাপ্পি পালের সঙ্গে শম্পা রানী পালের পরিবারের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে ওই জমিতে থাকা একটি কাঁঠাল গাছ কাটতে শুরু করেন বাপ্পি পাল। অফিসে যাওয়ার পথে বিষয়টি দেখে শম্পা রানী পাল গাছ কাটতে নিষেধ করেন এবং জমির বিরোধ নিষ্পত্তির আগ পর্যন্ত গাছ না কাটার অনুরোধ জানান।

অভিযোগ অনুযায়ী, এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাপ্পি পাল হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে শম্পা রানী পালের মাথায় আঘাত করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্বজনেরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহতের স্বামী ও গোবিন্দপুর উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক শংকর পাল বলেন, ‘জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। গাছ কাটতে নিষেধ করাতেই আমার স্ত্রীর ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’

অভিযুক্ত বাপ্পি পালের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এরশাদ উল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’