ফরিদগঞ্জ ০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভাতিজার ন্যায় বিচার চাইলেন মোতাহার পাটওয়ারী বিএনপি নেতার বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্রের মহড়া ঘটনায় পুলিশের হাতে আটক ২ বাবাকে ডাক্তার দেখাতে গিয়ে সড়কে প্রাণ ঝড়লো কলেজ শিক্ষার্থীর  কবরস্থানের গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে প্রাণ গেল বৃদ্ধের বিয়ের দাবিতে অনশন ।। ছেলের মা-বোন ও চাচির মারধরে অচেতন অনশনকারী অবশেষে প্রতারক মমতাজ চেক জালিয়াতির মামলায় কারাগারে ফরিদগঞ্জ সাহিত্য সংসদের  উদ্যোগে পথচারীদের মাঝে ইফতার বিতরণ আইডিয়াল সমাজসেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল ফরিদগঞ্জে ৪০ কার্টুন খেজুর পেল ৬৭ এতিমখানা সাংবাদিক লাঞ্ছনার তদন্তে গিয়ে অপদস্থ হলেন তদন্ত কর্মকর্তা

রেজিস্ট্রি অফিসের অবিশ্বাস্য কেলেঙ্কারি: দাতার ৮ শতাংশ, গ্রহীতার নামে ১৮ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৪৮৫ বার পড়া হয়েছে

 

ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আবারও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। প্রায়ই এখানে দাগ, খতিয়ান কিংবা নির্ধারিত মৌজার পরিবর্তে অন্য মৌজা দেখিয়ে কিংবা নাল সম্পত্তি দেখিয়ে বহুতল ভবনের দলিল সম্পাদনের ঘটনা ঘটে থাকে। ফলে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সর্বশেষ ঘটনায় ৮ শতাংশ সম্পত্তির দলিলে গ্রহীতার নামে ১৮ শতাংশ উল্লেখ করার প্রমাণ মিলেছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ৬৯৭৪ নং দলিলে দাতা ফাতেমা বেগম (৩ শতাংশ / ০.০৩০০), জাকিয়া বেগম (২ শতাংশ ৫৫ পয়েন্ট / ০.০২৫৫) ও খাদিজা বেগম (২ শতাংশ ৫৫ পয়েন্ট / ০.০২৫৫) মোট ৮ শতাংশ ১০ পয়েন্ট সম্পত্তি বিক্রি করেন। কিন্তু দলিলের গ্রহীতা কলামে রহস্যজনকভাবে ১৮ শতাংশ ১০ পয়েন্ট (০.১৮১০) উল্লেখ করা হয়। ওইদিনই দলিলের নকল কপি সংগ্রহের পর জালিয়াতির বিষয়টি নজরে আসে।

এ নিয়ে দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে তারা দলিল লেখক রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তিনি দাবি করেন, “শূন্যের জায়গায় এক বসে গেছে। টাইপিং করতে গিয়ে এ ধরনের ভুল হয়েছে।” একইসাথে তিনি দলিল সংশোধনের জন্য ১০-১২ দিন সময় ও ১০-১২ হাজার টাকা দাবি করেন।

অন্যদিকে, রেজিস্ট্রি অফিসের নাইটগার্ড মানিক দলিল দাতাদের আশ্বস্ত করে বলেন, মাত্র ৪ হাজার টাকায় তিনি সংশোধন করে দেবেন।

দলিল লেখক রুহুল আমিন (সনদ নং ৮০) দৈনিক কালবেলাকে বলেন, “এটা নিছক টাইপিং ভুল। তবে ঠিক করতে কিছু সময় ও খরচ লাগবে।”

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার তানবীর আলম কালবেলাকে জানান,“একটি দলিল সম্পূর্ণ বা অসম্পূর্ণ হয় না। অনেক সময় একাধিক স্থানে ভুল হতে পারে। তবে এজন্য দলিল বাতিল হয়ে যায় না। সংশোধনের নিয়ম রয়েছে।”


নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রেজিস্ট্রি অফিসের অবিশ্বাস্য কেলেঙ্কারি: দাতার ৮ শতাংশ, গ্রহীতার নামে ১৮ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আবারও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। প্রায়ই এখানে দাগ, খতিয়ান কিংবা নির্ধারিত মৌজার পরিবর্তে অন্য মৌজা দেখিয়ে কিংবা নাল সম্পত্তি দেখিয়ে বহুতল ভবনের দলিল সম্পাদনের ঘটনা ঘটে থাকে। ফলে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সর্বশেষ ঘটনায় ৮ শতাংশ সম্পত্তির দলিলে গ্রহীতার নামে ১৮ শতাংশ উল্লেখ করার প্রমাণ মিলেছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ৬৯৭৪ নং দলিলে দাতা ফাতেমা বেগম (৩ শতাংশ / ০.০৩০০), জাকিয়া বেগম (২ শতাংশ ৫৫ পয়েন্ট / ০.০২৫৫) ও খাদিজা বেগম (২ শতাংশ ৫৫ পয়েন্ট / ০.০২৫৫) মোট ৮ শতাংশ ১০ পয়েন্ট সম্পত্তি বিক্রি করেন। কিন্তু দলিলের গ্রহীতা কলামে রহস্যজনকভাবে ১৮ শতাংশ ১০ পয়েন্ট (০.১৮১০) উল্লেখ করা হয়। ওইদিনই দলিলের নকল কপি সংগ্রহের পর জালিয়াতির বিষয়টি নজরে আসে।

এ নিয়ে দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে তারা দলিল লেখক রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তিনি দাবি করেন, “শূন্যের জায়গায় এক বসে গেছে। টাইপিং করতে গিয়ে এ ধরনের ভুল হয়েছে।” একইসাথে তিনি দলিল সংশোধনের জন্য ১০-১২ দিন সময় ও ১০-১২ হাজার টাকা দাবি করেন।

অন্যদিকে, রেজিস্ট্রি অফিসের নাইটগার্ড মানিক দলিল দাতাদের আশ্বস্ত করে বলেন, মাত্র ৪ হাজার টাকায় তিনি সংশোধন করে দেবেন।

দলিল লেখক রুহুল আমিন (সনদ নং ৮০) দৈনিক কালবেলাকে বলেন, “এটা নিছক টাইপিং ভুল। তবে ঠিক করতে কিছু সময় ও খরচ লাগবে।”

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার তানবীর আলম কালবেলাকে জানান,“একটি দলিল সম্পূর্ণ বা অসম্পূর্ণ হয় না। অনেক সময় একাধিক স্থানে ভুল হতে পারে। তবে এজন্য দলিল বাতিল হয়ে যায় না। সংশোধনের নিয়ম রয়েছে।”