ফরিদগঞ্জ ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জে  আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে চলছে বিল্ডিং নির্মাণ কাজ ফরিদগঞ্জে অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা ৩ শতাধিক রোগী পেলেন বিনা মূল্যের সেবা ফরিদগঞ্জে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় সাবেক এমপি ও প্রেসক্লাবের সভাপতির মধ্যস্থতায় নিষ্পত্তি ফরিদগঞ্জে প্রবাসী পরিবারের ঘর নির্মাণে বাধা, জরাজীর্ণ ঘরে পরিবারটির মানবেতর জীবনযাপন ফরিদগঞ্জে কালবেলার ৪র্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঘর পুড়ে ছাই, শিশুসন্তান নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস ফরিদগঞ্জে কাছিয়াড়া ফুটসেল ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন এসএসসি ব্যাচ ১৯ স্কাউট নেতা ফাহিমকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় ফরিদগঞ্জ উপজেলা ও মুক্ত স্কাউটসের নিন্দা জামিন চাইতে গিয়ে ফরিদগঞ্জের সাবেক প্যানেল মেয়র ও যুবলীগ নেত জেলে ফরিদগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেফতার

ফরিদগঞ্জে স্ত্রী’র অধিকার পেতে ভাগিনার বাড়িতে মামানি’র অনশন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২ ৭৩৮ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি

ফরিদগঞ্জে ভাগিনা আনোয়ার হোসেন মানিকের ঘরের সামনে মামানি সীমা আক্তার স্ত্রী’র অধিকারের দাবীতে অনশন করেন।

২৯ জুন (বুধবার) ফরিদগঞ্জে উপজেলার ১০ নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্ধি গ্রামের বেপারী বাড়ির আনোয়ার হোসেন মানিকের ঘরের সম্মুখে স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে অনশন করেন ৯ নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের চরমথুরা গ্রামের দেওয়ান বাড়ির মেয়ে সীমা আক্তার।

জানা যায়,আনোয়ার হোসেন মানিকের মামা বিল্লাল হোসেনের এর সাথে ২০০৯ সালে সীমা আক্তারের বিয়ে হয়। তারপর মানিক সীমার(মামানির) বিভিন্ন ভাবে ছবি তুলে হয়রানি করে জোর পূর্বক সীমার সাথে সম্পর্ক করে। এই সম্পর্ক কে কেন্দ্র করে আমাদের ৭বছরের সংসার ভেঙ্গে যায়। পরবর্তীতে মানিক বিয়ে করার কথা থাকলে ও সে বিদেশি গিয়ে চার বছরে ও ফিরে আসেনি তারপর ফ্যামিলির চাপের কারণে আমার সীমার দ্বিতীয় বিয়ে হয় রামপুর গ্রামের ঢাকায় বাসিন্দা এনামুল হকের সাথে।সেখানে ও বিভিন্ন কায়দায় আনোয়ার হোসেন মানিক সীমার দ্বিতীয় স্বামীর কাছে যোগাযোগ করেন সে সময় আমার দ্বিতীয় সংসার ভেঙ্গে যায়।

এবিষয়ে সীমা জানান, মানিকের কারনে আমার ২টা বিয়ে ভেঙ্গেছে। সে আমায় বিয়ে করবে বলেছে এমনকি মানিক বিদেশ থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনে আমাদের বিয়ে হয়, কিন্তু এখন সে আমাকে স্ত্রীর অধিকার দিচ্ছে না। বহু অপেক্ষা করে ও অধিকার না পাওয়ায় স্ত্রীর অধিকার দাবিতে অনশন করতেছি।

ফরিদগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা প্রদীপ মন্ডল জানান, সীমা আক্তার ৯৯৯ কল করেছে। তাদের একটা মামলা চলমান,বিষয়টি খোঁজ নিয়ে আমরা অত্র ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন ভুঁইয়া কে দাযিত্ব প্রদান করেছি, বিষয়টা সমাধান করার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফরিদগঞ্জে স্ত্রী’র অধিকার পেতে ভাগিনার বাড়িতে মামানি’র অনশন

আপডেট সময় : ১২:৩৮:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি

ফরিদগঞ্জে ভাগিনা আনোয়ার হোসেন মানিকের ঘরের সামনে মামানি সীমা আক্তার স্ত্রী’র অধিকারের দাবীতে অনশন করেন।

২৯ জুন (বুধবার) ফরিদগঞ্জে উপজেলার ১০ নং গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের হাওয়াকান্ধি গ্রামের বেপারী বাড়ির আনোয়ার হোসেন মানিকের ঘরের সম্মুখে স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে অনশন করেন ৯ নং গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের চরমথুরা গ্রামের দেওয়ান বাড়ির মেয়ে সীমা আক্তার।

জানা যায়,আনোয়ার হোসেন মানিকের মামা বিল্লাল হোসেনের এর সাথে ২০০৯ সালে সীমা আক্তারের বিয়ে হয়। তারপর মানিক সীমার(মামানির) বিভিন্ন ভাবে ছবি তুলে হয়রানি করে জোর পূর্বক সীমার সাথে সম্পর্ক করে। এই সম্পর্ক কে কেন্দ্র করে আমাদের ৭বছরের সংসার ভেঙ্গে যায়। পরবর্তীতে মানিক বিয়ে করার কথা থাকলে ও সে বিদেশি গিয়ে চার বছরে ও ফিরে আসেনি তারপর ফ্যামিলির চাপের কারণে আমার সীমার দ্বিতীয় বিয়ে হয় রামপুর গ্রামের ঢাকায় বাসিন্দা এনামুল হকের সাথে।সেখানে ও বিভিন্ন কায়দায় আনোয়ার হোসেন মানিক সীমার দ্বিতীয় স্বামীর কাছে যোগাযোগ করেন সে সময় আমার দ্বিতীয় সংসার ভেঙ্গে যায়।

এবিষয়ে সীমা জানান, মানিকের কারনে আমার ২টা বিয়ে ভেঙ্গেছে। সে আমায় বিয়ে করবে বলেছে এমনকি মানিক বিদেশ থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনে আমাদের বিয়ে হয়, কিন্তু এখন সে আমাকে স্ত্রীর অধিকার দিচ্ছে না। বহু অপেক্ষা করে ও অধিকার না পাওয়ায় স্ত্রীর অধিকার দাবিতে অনশন করতেছি।

ফরিদগঞ্জ থানার তদন্ত কর্মকর্তা প্রদীপ মন্ডল জানান, সীমা আক্তার ৯৯৯ কল করেছে। তাদের একটা মামলা চলমান,বিষয়টি খোঁজ নিয়ে আমরা অত্র ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন ভুঁইয়া কে দাযিত্ব প্রদান করেছি, বিষয়টা সমাধান করার জন্য।