ফরিদগঞ্জ ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

ফরিদগঞ্জে অগ্নীকাণ্ডে ৩টি বসতঘর ও ১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪ ৭০ বার পড়া হয়েছে

 

ফরিদগঞ্জে দুটি পৃথক ভয়াবহ অগ্নীকান্ডে ৩টি বসতঘর এবং একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ঘোড়াশালা গ্রামের হাজী বাড়িতে শুক্রবার (১৫ মার্চ) সকালে এবং বৃহষ্পতিবার (১৪ মার্চ) রাতে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম লাড়ুয়া গ্রামে এ অগ্নীকান্ডের ঘটনা ঘটে। উভয়স্থানে সংবাদ পেয়ে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও হাইমচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা এসে আগুণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

জানা গেছে, শুক্রবার সকালে রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ঘোড়াশালা গ্রামের হাজী বাড়ির দিনমজুর খোরশেদ আলম খোকা, বিল্লাল হোসেন ও স্বামী পরিত্যক্তা লিলু বেগমের বসতঘরটি আসবাবপত্রসহ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ফলে ৩টি পরিবার সর্বশান্ত হয়ে খোলা আকাশের নিছে বসবাস করার উপক্রম হয়েছে। আগুণে অন্তত ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের দাবী।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোজ খবর নিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো একেবারেই নিঃস্ব। রোজার সময় তাদের এমন সর্বনাশ নেমে আসায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হলো। রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম কাউসারুল আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে সাহায্য চাওয়া হবে।

এদিকে বৃহষ্পতিবার (১৪ মার্চ) রাতে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম লাড়ুয়া গ্রামে র পশ্চিম লাড়ুয়া মহিলা মাদ্রাসার(মান্নানের দোকানের সামনে) দুলাল বেপারির মালিকানাধীন তাকওয়া স্টোরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ক্ষতিগ্রস্থ দুলাল বেপারি জানান, ২৫ বছর প্রবাস জীবন কাটানোর পর গত ২ বছর পূর্বে বাড়িতে এসে মুদি দোকান দেই। পুর্বের মালামালের সাথে রমজান উপলক্ষে নতুন উঠানোসহ প্রায় দোকানে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল ছিল। রাত ১টার দিকে হঠাৎ করেই আগুণ লেগে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। ফরিদগঞ্জ ও হাইমচর থেকে ফায়ার সার্ভিসের টিম আসলেও ততক্ষণে আমার পুরো দোকান পুড়ে গেছে। আগুণে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল ও সম্পদ ভষ্মীভূত হয়েছে।

পাশের দোকানের মালিক বোরহান গাজী বলেন, রাত সাড়ে এগারোটায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাই, এরপর স্থানীয়দের ডাক চিৎকারে রাত ১ টার সময় ছুটে এসে দেখি দুলাল বেপারির দোকানে আগুন জ্বলছে।

ফরিদগঞ্জ ফায়ার সর্ভিসের দলনেতা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফরিদগঞ্জে অগ্নীকাণ্ডে ৩টি বসতঘর ও ১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

আপডেট সময় : ১০:৩৯:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪

 

ফরিদগঞ্জে দুটি পৃথক ভয়াবহ অগ্নীকান্ডে ৩টি বসতঘর এবং একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ঘোড়াশালা গ্রামের হাজী বাড়িতে শুক্রবার (১৫ মার্চ) সকালে এবং বৃহষ্পতিবার (১৪ মার্চ) রাতে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম লাড়ুয়া গ্রামে এ অগ্নীকান্ডের ঘটনা ঘটে। উভয়স্থানে সংবাদ পেয়ে ফরিদগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও হাইমচর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা এসে আগুণ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

জানা গেছে, শুক্রবার সকালে রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ঘোড়াশালা গ্রামের হাজী বাড়ির দিনমজুর খোরশেদ আলম খোকা, বিল্লাল হোসেন ও স্বামী পরিত্যক্তা লিলু বেগমের বসতঘরটি আসবাবপত্রসহ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ফলে ৩টি পরিবার সর্বশান্ত হয়ে খোলা আকাশের নিছে বসবাস করার উপক্রম হয়েছে। আগুণে অন্তত ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের দাবী।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোজ খবর নিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো একেবারেই নিঃস্ব। রোজার সময় তাদের এমন সর্বনাশ নেমে আসায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হলো। রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম কাউসারুল আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে সাহায্য চাওয়া হবে।

এদিকে বৃহষ্পতিবার (১৪ মার্চ) রাতে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পশ্চিম লাড়ুয়া গ্রামে র পশ্চিম লাড়ুয়া মহিলা মাদ্রাসার(মান্নানের দোকানের সামনে) দুলাল বেপারির মালিকানাধীন তাকওয়া স্টোরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

ক্ষতিগ্রস্থ দুলাল বেপারি জানান, ২৫ বছর প্রবাস জীবন কাটানোর পর গত ২ বছর পূর্বে বাড়িতে এসে মুদি দোকান দেই। পুর্বের মালামালের সাথে রমজান উপলক্ষে নতুন উঠানোসহ প্রায় দোকানে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল ছিল। রাত ১টার দিকে হঠাৎ করেই আগুণ লেগে আমার সব শেষ হয়ে গেছে। ফরিদগঞ্জ ও হাইমচর থেকে ফায়ার সার্ভিসের টিম আসলেও ততক্ষণে আমার পুরো দোকান পুড়ে গেছে। আগুণে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার মালামাল ও সম্পদ ভষ্মীভূত হয়েছে।

পাশের দোকানের মালিক বোরহান গাজী বলেন, রাত সাড়ে এগারোটায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাই, এরপর স্থানীয়দের ডাক চিৎকারে রাত ১ টার সময় ছুটে এসে দেখি দুলাল বেপারির দোকানে আগুন জ্বলছে।

ফরিদগঞ্জ ফায়ার সর্ভিসের দলনেতা মো. কামরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। তবে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।