ফরিদগঞ্জ ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জে কসমিক এয়ারের ফ্রি সেমিনার ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জের গৃহবধূ মিশু হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন ফরিদগঞ্জে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩, ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ফরিদগঞ্জে ২য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় লম্পট অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার, আদালতে জবানবন্দি জে কে ফিলিং স্টেশনের মুচলেকা ও লাখ টাকা জরিমানা ফরিদগঞ্জে কাছিয়াড়া ফুটসেল ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে ফরিদগঞ্জে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল চট্টগ্রামে সংবর্ধনা গ্রহণ করলেন ফরিদগঞ্জ কে আর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাসুম আলম তালুকদার ৩৫ দিনেও তদন্ত প্রতিবেদন হয়নি ৩৫ বছরের সংসার, তবু স্বামীর কাছে ‘অচেনা’ আফিয়া

ফরিদগঞ্জে বাবু গাজীর মৃত্যুর ঘটনায় নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

 

কুখ্যাত চোর ও ১৪ মামলার আসামী বাবু গাজী (বাবু চোর) এর গণপিটুনি এবং পরবর্তিতে মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন করে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোয়ালভাওড় বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মঞ্জিল হোসেন বেপারী। এসময়ে মামলার আসামী হওয়া ভুক্তভোগী ৯টি পরিবারের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ফরিদগঞ্জ গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে জেলায় আলোচিত নাম বাবু গাজী। সে একাধারে চোর, মাদক ব্যবাসায়ী এবং আন্ত:জেলা মোটর সাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তার নামে আমাদের জানামতে ১৪টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। যার মধ্যে চুরি, মাদক, নারী নিযার্তন এবং মোটর সাইকেল চুরির মামলাও রয়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে বাবু গাজী এক আতঙ্কের নাম। যতদিন সে জেলে বা এলাকার বাইরে থাকতো এলাকার মানুষ স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলতো। কিন্তু যখনই সে এলাকায় আসতো নিত্যদিন চুরির ঘটনা ঘটতো। ফলে সাধারণ মানুষ তার যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল।

গত ১৩ নভেম্বর রাতে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চররাঘররায় গ্রামে বাবু গাজী চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তিতে সে গত ২৭ নভেম্বর সে ঢাকায় মৃতু্যু বরণ করে । কিন্তু বাবু গাজীর স্ত্রী কুলছুমা তার স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে থানায় আমাদের ৯টি পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। মামলায় আমাদের স্বজনরা তাকে পিটিয়েছে এবং ওই পিটুনির কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে  উল্লেখ করা হয়েছে, যা সত্যি নয়। এই ঘটনার সাথে কোন ক্রমেই তারা জড়িত নন। তাই মামলা দিয়ে হয়রানি এবং অসৎ উদ্দেশ্য সাধনে তাদের আসামী করা হয়েছে। আমরা এই মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করছি। যাতে প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে উদঘাটিত হয়। ইতিমধ্যেই এলাকাবাসী এই বিষয়ে দুইশতাধিক লোকের স্বাক্ষরযুক্ত একটি গণস্বাক্ষর কতৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী ও অভিযুক্ত স্বজনদের মধ্যে সোহেল বেপারী, ইউসুফ সর্দার, সুমন খান, মো. আলী, মাওলানা মোক্তার মিয়া,  নাজমা বেগম,নুরজাহান বেগম, শারমিন বেগম প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফরিদগঞ্জে বাবু গাজীর মৃত্যুর ঘটনায় নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

 

কুখ্যাত চোর ও ১৪ মামলার আসামী বাবু গাজী (বাবু চোর) এর গণপিটুনি এবং পরবর্তিতে মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন করে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোয়ালভাওড় বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মঞ্জিল হোসেন বেপারী। এসময়ে মামলার আসামী হওয়া ভুক্তভোগী ৯টি পরিবারের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ফরিদগঞ্জ গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে জেলায় আলোচিত নাম বাবু গাজী। সে একাধারে চোর, মাদক ব্যবাসায়ী এবং আন্ত:জেলা মোটর সাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তার নামে আমাদের জানামতে ১৪টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। যার মধ্যে চুরি, মাদক, নারী নিযার্তন এবং মোটর সাইকেল চুরির মামলাও রয়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে বাবু গাজী এক আতঙ্কের নাম। যতদিন সে জেলে বা এলাকার বাইরে থাকতো এলাকার মানুষ স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলতো। কিন্তু যখনই সে এলাকায় আসতো নিত্যদিন চুরির ঘটনা ঘটতো। ফলে সাধারণ মানুষ তার যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল।

গত ১৩ নভেম্বর রাতে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চররাঘররায় গ্রামে বাবু গাজী চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তিতে সে গত ২৭ নভেম্বর সে ঢাকায় মৃতু্যু বরণ করে । কিন্তু বাবু গাজীর স্ত্রী কুলছুমা তার স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে থানায় আমাদের ৯টি পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। মামলায় আমাদের স্বজনরা তাকে পিটিয়েছে এবং ওই পিটুনির কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে  উল্লেখ করা হয়েছে, যা সত্যি নয়। এই ঘটনার সাথে কোন ক্রমেই তারা জড়িত নন। তাই মামলা দিয়ে হয়রানি এবং অসৎ উদ্দেশ্য সাধনে তাদের আসামী করা হয়েছে। আমরা এই মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করছি। যাতে প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে উদঘাটিত হয়। ইতিমধ্যেই এলাকাবাসী এই বিষয়ে দুইশতাধিক লোকের স্বাক্ষরযুক্ত একটি গণস্বাক্ষর কতৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী ও অভিযুক্ত স্বজনদের মধ্যে সোহেল বেপারী, ইউসুফ সর্দার, সুমন খান, মো. আলী, মাওলানা মোক্তার মিয়া,  নাজমা বেগম,নুরজাহান বেগম, শারমিন বেগম প্রমুখ।