ফরিদগঞ্জ ১২:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জে নির্বাচনী সহিংসতায় আটক ২ ফরিদগঞ্জে চিংড়ি ও ধানের শীষের সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত অন্তত ১৫ ফরিদগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মঞ্জুর ও সদস্য সচিব শাওন বহিষ্কার ফরিদগঞ্জে বিএনপির প্রচারণা শুরু নির্বাচনী সিদ্ধান্তে অনড় আলহাজ্ব এম এ হান্নান কে বিএনপি থেকে বহিষ্কার চিকিৎসার অভাবে যন্ত্রণায় দিন কাটছে দিনমজুর জাকিরের পাইকপাড়া গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন কাতার প্রবাসী স্পোর্টিং ক্লাব উসমান হাদিকে হত্যার প্রতিবাদে ফরিদগঞ্জে সম্মিলিত ছাত্রজনতার বিক্ষোভ সমাবেশ ও দোয়ানুষ্ঠান ৮ শতাধিক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে স্বপ্নের ফরিদগঞ্জ’র মেধাবৃত্তি পরীক্ষা মাছ কিনতে গিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না রোমানের

ফরিদগঞ্জে বাবু গাজীর মৃত্যুর ঘটনায় নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

 

কুখ্যাত চোর ও ১৪ মামলার আসামী বাবু গাজী (বাবু চোর) এর গণপিটুনি এবং পরবর্তিতে মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন করে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোয়ালভাওড় বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মঞ্জিল হোসেন বেপারী। এসময়ে মামলার আসামী হওয়া ভুক্তভোগী ৯টি পরিবারের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ফরিদগঞ্জ গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে জেলায় আলোচিত নাম বাবু গাজী। সে একাধারে চোর, মাদক ব্যবাসায়ী এবং আন্ত:জেলা মোটর সাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তার নামে আমাদের জানামতে ১৪টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। যার মধ্যে চুরি, মাদক, নারী নিযার্তন এবং মোটর সাইকেল চুরির মামলাও রয়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে বাবু গাজী এক আতঙ্কের নাম। যতদিন সে জেলে বা এলাকার বাইরে থাকতো এলাকার মানুষ স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলতো। কিন্তু যখনই সে এলাকায় আসতো নিত্যদিন চুরির ঘটনা ঘটতো। ফলে সাধারণ মানুষ তার যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল।

গত ১৩ নভেম্বর রাতে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চররাঘররায় গ্রামে বাবু গাজী চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তিতে সে গত ২৭ নভেম্বর সে ঢাকায় মৃতু্যু বরণ করে । কিন্তু বাবু গাজীর স্ত্রী কুলছুমা তার স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে থানায় আমাদের ৯টি পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। মামলায় আমাদের স্বজনরা তাকে পিটিয়েছে এবং ওই পিটুনির কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে  উল্লেখ করা হয়েছে, যা সত্যি নয়। এই ঘটনার সাথে কোন ক্রমেই তারা জড়িত নন। তাই মামলা দিয়ে হয়রানি এবং অসৎ উদ্দেশ্য সাধনে তাদের আসামী করা হয়েছে। আমরা এই মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করছি। যাতে প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে উদঘাটিত হয়। ইতিমধ্যেই এলাকাবাসী এই বিষয়ে দুইশতাধিক লোকের স্বাক্ষরযুক্ত একটি গণস্বাক্ষর কতৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী ও অভিযুক্ত স্বজনদের মধ্যে সোহেল বেপারী, ইউসুফ সর্দার, সুমন খান, মো. আলী, মাওলানা মোক্তার মিয়া,  নাজমা বেগম,নুরজাহান বেগম, শারমিন বেগম প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফরিদগঞ্জে বাবু গাজীর মৃত্যুর ঘটনায় নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

 

কুখ্যাত চোর ও ১৪ মামলার আসামী বাবু গাজী (বাবু চোর) এর গণপিটুনি এবং পরবর্তিতে মৃত্যুর ঘটনায় এলাকার নিরীহ মানুষকে মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে ভুক্তভোগীরা সংবাদ সম্মেলন করে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন।

রোববার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গোয়ালভাওড় বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মঞ্জিল হোসেন বেপারী। এসময়ে মামলার আসামী হওয়া ভুক্তভোগী ৯টি পরিবারের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ফরিদগঞ্জ গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নসহ পুরো উপজেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে জেলায় আলোচিত নাম বাবু গাজী। সে একাধারে চোর, মাদক ব্যবাসায়ী এবং আন্ত:জেলা মোটর সাইকেল চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য। তার নামে আমাদের জানামতে ১৪টি নিয়মিত মামলা রয়েছে। যার মধ্যে চুরি, মাদক, নারী নিযার্তন এবং মোটর সাইকেল চুরির মামলাও রয়েছে। পুরো এলাকা জুড়ে বাবু গাজী এক আতঙ্কের নাম। যতদিন সে জেলে বা এলাকার বাইরে থাকতো এলাকার মানুষ স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলতো। কিন্তু যখনই সে এলাকায় আসতো নিত্যদিন চুরির ঘটনা ঘটতো। ফলে সাধারণ মানুষ তার যন্ত্রণায় অতিষ্ট হয়ে উঠেছিল।

গত ১৩ নভেম্বর রাতে গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চররাঘররায় গ্রামে বাবু গাজী চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার হয়। পরে থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। পরবর্তিতে সে গত ২৭ নভেম্বর সে ঢাকায় মৃতু্যু বরণ করে । কিন্তু বাবু গাজীর স্ত্রী কুলছুমা তার স্বামীর মৃত্যুর পর তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে থানায় আমাদের ৯টি পরিবারের সদস্যদের নামে মিথ্যা মামলা করেছে। মামলায় আমাদের স্বজনরা তাকে পিটিয়েছে এবং ওই পিটুনির কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে  উল্লেখ করা হয়েছে, যা সত্যি নয়। এই ঘটনার সাথে কোন ক্রমেই তারা জড়িত নন। তাই মামলা দিয়ে হয়রানি এবং অসৎ উদ্দেশ্য সাধনে তাদের আসামী করা হয়েছে। আমরা এই মামলার সঠিক তদন্ত দাবি করছি। যাতে প্রকৃত সত্য জনসমক্ষে উদঘাটিত হয়। ইতিমধ্যেই এলাকাবাসী এই বিষয়ে দুইশতাধিক লোকের স্বাক্ষরযুক্ত একটি গণস্বাক্ষর কতৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসী ও অভিযুক্ত স্বজনদের মধ্যে সোহেল বেপারী, ইউসুফ সর্দার, সুমন খান, মো. আলী, মাওলানা মোক্তার মিয়া,  নাজমা বেগম,নুরজাহান বেগম, শারমিন বেগম প্রমুখ।