ফরিদগঞ্জ ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
২ বছরেও শেষ হয়নি ফরিদগঞ্জ-কালীরবাজার সড়ক ৬ কোটি টাকার প্রকল্পে ঠিকাদারের তালবাহানা, সামান্য কাজ করেই পৌনে দুই কোটি টাকা বিল উত্তোলন ফরিদগঞ্জে কৃষিজমি ধ্বংস করে অবৈধ ড্রেজার পরিচালনা, প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ঘিরে অভিযোগের পাহাড় ফরিদগঞ্জে জরুরি বিভাগ চিকিৎসা নিতে ডিমান্ড করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ।। ভিডিও ভাইরাল ফরিদগঞ্জে নানা আয়োজনে হাদিয়া ফাউন্ডেশনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এক জমি দুইবার রেজিস্ট্রি ফরিদগঞ্জে খেলার মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন চাকরি ফেরানোর স্বপ্নে প্রধান শিক্ষকে দেড় লাখ টাকা ঘুষ ফরিদগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ফরিদগঞ্জে নিয়োগের পর ৬ মাসই অনুপস্থিত, হঠাৎ হাজিরা খাতায় সই

ফরিদগঞ্জে কৃষিজমি ধ্বংস করে অবৈধ ড্রেজার পরিচালনা, প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
ফরিদগঞ্জে আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে কৃষিজমির উর্বর মাটি কাটার অপরাধে একটি ড্রেজার অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের পূর্ব বদরপুর এলাকার পাটওয়ারী বাড়ি সংলগ্ন ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালিত হয়। স্থানীয় মৃত কুট্টি পাটওয়ারীর পৃষ্ঠপোষকতায় দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ড্রেজারটি চালিয়ে আসছিল একটি চক্র।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিছুর রহমানের নির্দেশনায় রূপসা উত্তর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গুলশান-আরার নেতৃত্বে ভূমি অফিসের একটি দল অভিযান চালিয়ে ড্রেজারটি অপসারণ করে।
স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা জানান, ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার ফলে আশপাশের আবাদি ফসলি জমিগুলো বিশাল গর্তে পরিণত হচ্ছিল। বর্ষা বা পানি বাড়লেই ওই এলাকার বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন কিংবা ধসে পড়ার চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এমন তড়িৎ পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৭(ক) ধারা অনুযায়ী-উর্বর কৃষিজমি বা ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি নষ্ট করা এবং ড্রেজার বা এ জাতীয় যন্ত্রের মাধ্যমে মাটি বা বালি উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে ব্যক্তিগত বা বসতবাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার লিখিত অনুমতির বিধান থাকলেও এই ড্রেজার পরিচালনায় কোনো ধরনের আইনগত তোয়াক্কা করা হয়নি।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিছুর রহমান জানান, প্রাথমিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ড্রেজারটি অপসারণ করা হয়েছে। তবে এরপরও যদি কেউ আইন অমান্য করে কৃষিজমি ধ্বংসের পাঁয়তারা চালায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফরিদগঞ্জে কৃষিজমি ধ্বংস করে অবৈধ ড্রেজার পরিচালনা, প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান

আপডেট সময় : ০৭:১৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
ফরিদগঞ্জে আইনের তোয়াক্কা না করে অবৈধ ড্রেজার বসিয়ে কৃষিজমির উর্বর মাটি কাটার অপরাধে একটি ড্রেজার অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের পূর্ব বদরপুর এলাকার পাটওয়ারী বাড়ি সংলগ্ন ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় এই ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালিত হয়। স্থানীয় মৃত কুট্টি পাটওয়ারীর পৃষ্ঠপোষকতায় দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ড্রেজারটি চালিয়ে আসছিল একটি চক্র।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিছুর রহমানের নির্দেশনায় রূপসা উত্তর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা গুলশান-আরার নেতৃত্বে ভূমি অফিসের একটি দল অভিযান চালিয়ে ড্রেজারটি অপসারণ করে।
স্থানীয় কৃষক ও বাসিন্দারা জানান, ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার ফলে আশপাশের আবাদি ফসলি জমিগুলো বিশাল গর্তে পরিণত হচ্ছিল। বর্ষা বা পানি বাড়লেই ওই এলাকার বসতবাড়ি ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন কিংবা ধসে পড়ার চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এমন তড়িৎ পদক্ষেপে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৭(ক) ধারা অনুযায়ী-উর্বর কৃষিজমি বা ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি নষ্ট করা এবং ড্রেজার বা এ জাতীয় যন্ত্রের মাধ্যমে মাটি বা বালি উত্তোলন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে ব্যক্তিগত বা বসতবাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়মে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার লিখিত অনুমতির বিধান থাকলেও এই ড্রেজার পরিচালনায় কোনো ধরনের আইনগত তোয়াক্কা করা হয়নি।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনিছুর রহমান জানান, প্রাথমিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ড্রেজারটি অপসারণ করা হয়েছে। তবে এরপরও যদি কেউ আইন অমান্য করে কৃষিজমি ধ্বংসের পাঁয়তারা চালায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।