ফরিদগঞ্জ ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ ফরিদগঞ্জের রফিকুল

শামীম হাসান
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০২৪ ৫৫৯ বার পড়া হয়েছে

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও এলাকার নাখালপাড়া রেললাইনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় সময় বাসা থেকে বের হলে রেললাইনে গুলিবিদ্ধ হয় রফিকুল। পরে স্থানীয়রা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেই থেকে হাসপাতালের ২০৬ নাম্বর ওয়ার্ডের ২৩ নাম্বর বেডে গুলিবিদ্ধ ক্ষত পা নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একাই পার করেছেন গত ১৩টি দিন। এরমধ্যে এতোগুলো দিন অতিক্রান্ত হলেও তার পায়ে গুলি খাওয়ার কথা জানেন না পরিবারের কেউই।

ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়া রফিকুল ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাটওয়ারী বাড়ির বেলাল হোসেনের ছেলে। নিজ বাড়ি ও বাবার নাম ঠিক মতো বলতে পারলেও বলতে পারছেন না নিজ গ্রামের নাম। জানা নেই পরিবারের কোন সদস্য কিংবা নিকট আত্মীয় কারো মোবাইল নাম্বারও। তাই স্বজনদের কেউই জানতে পারেননি তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার গঠনা।

কিভাবে ঢাকায় এলেন এমন প্রশ্ন করতেই রফিকুল জানান, ঢাকার তেজগাঁও
নাখালপাড়া এলাকায় হোটেল ব্যাবসায়ী চাচা হেলালের সাথে সেখানকার একটি সাত তলা ভবনের চার তলায় থাকে সে। মুঠোফোন নাম্বার না থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি তার চাচার সাথেও। এসময় কান্না কন্ঠে রফিকুল বলে ওঠেন “কেউ আমার চাচারে একটু খবর দেবেন”

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ ফরিদগঞ্জের রফিকুল

আপডেট সময় : ১১:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ অগাস্ট ২০২৪

শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও এলাকার নাখালপাড়া রেললাইনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে সহিংসতায় সময় বাসা থেকে বের হলে রেললাইনে গুলিবিদ্ধ হয় রফিকুল। পরে স্থানীয়রা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। সেই থেকে হাসপাতালের ২০৬ নাম্বর ওয়ার্ডের ২৩ নাম্বর বেডে গুলিবিদ্ধ ক্ষত পা নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একাই পার করেছেন গত ১৩টি দিন। এরমধ্যে এতোগুলো দিন অতিক্রান্ত হলেও তার পায়ে গুলি খাওয়ার কথা জানেন না পরিবারের কেউই।

ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়া রফিকুল ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাটওয়ারী বাড়ির বেলাল হোসেনের ছেলে। নিজ বাড়ি ও বাবার নাম ঠিক মতো বলতে পারলেও বলতে পারছেন না নিজ গ্রামের নাম। জানা নেই পরিবারের কোন সদস্য কিংবা নিকট আত্মীয় কারো মোবাইল নাম্বারও। তাই স্বজনদের কেউই জানতে পারেননি তার গুলিবিদ্ধ হওয়ার গঠনা।

কিভাবে ঢাকায় এলেন এমন প্রশ্ন করতেই রফিকুল জানান, ঢাকার তেজগাঁও
নাখালপাড়া এলাকায় হোটেল ব্যাবসায়ী চাচা হেলালের সাথে সেখানকার একটি সাত তলা ভবনের চার তলায় থাকে সে। মুঠোফোন নাম্বার না থাকায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি তার চাচার সাথেও। এসময় কান্না কন্ঠে রফিকুল বলে ওঠেন “কেউ আমার চাচারে একটু খবর দেবেন”