ফরিদগঞ্জ ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জে কসমিক এয়ারের ফ্রি সেমিনার ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফরিদগঞ্জের গৃহবধূ মিশু হত্যা মামলায় আসামির যাবজ্জীবন ফরিদগঞ্জে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩, ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ফরিদগঞ্জে ২য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় লম্পট অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার, আদালতে জবানবন্দি জে কে ফিলিং স্টেশনের মুচলেকা ও লাখ টাকা জরিমানা ফরিদগঞ্জে কাছিয়াড়া ফুটসেল ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে ফরিদগঞ্জে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল চট্টগ্রামে সংবর্ধনা গ্রহণ করলেন ফরিদগঞ্জ কে আর আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাসুম আলম তালুকদার ৩৫ দিনেও তদন্ত প্রতিবেদন হয়নি ৩৫ বছরের সংসার, তবু স্বামীর কাছে ‘অচেনা’ আফিয়া

রেজিস্ট্রি অফিসের অবিশ্বাস্য কেলেঙ্কারি: দাতার ৮ শতাংশ, গ্রহীতার নামে ১৮ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আবারও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। প্রায়ই এখানে দাগ, খতিয়ান কিংবা নির্ধারিত মৌজার পরিবর্তে অন্য মৌজা দেখিয়ে কিংবা নাল সম্পত্তি দেখিয়ে বহুতল ভবনের দলিল সম্পাদনের ঘটনা ঘটে থাকে। ফলে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সর্বশেষ ঘটনায় ৮ শতাংশ সম্পত্তির দলিলে গ্রহীতার নামে ১৮ শতাংশ উল্লেখ করার প্রমাণ মিলেছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ৬৯৭৪ নং দলিলে দাতা ফাতেমা বেগম (৩ শতাংশ / ০.০৩০০), জাকিয়া বেগম (২ শতাংশ ৫৫ পয়েন্ট / ০.০২৫৫) ও খাদিজা বেগম (২ শতাংশ ৫৫ পয়েন্ট / ০.০২৫৫) মোট ৮ শতাংশ ১০ পয়েন্ট সম্পত্তি বিক্রি করেন। কিন্তু দলিলের গ্রহীতা কলামে রহস্যজনকভাবে ১৮ শতাংশ ১০ পয়েন্ট (০.১৮১০) উল্লেখ করা হয়। ওইদিনই দলিলের নকল কপি সংগ্রহের পর জালিয়াতির বিষয়টি নজরে আসে।

এ নিয়ে দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে তারা দলিল লেখক রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তিনি দাবি করেন, “শূন্যের জায়গায় এক বসে গেছে। টাইপিং করতে গিয়ে এ ধরনের ভুল হয়েছে।” একইসাথে তিনি দলিল সংশোধনের জন্য ১০-১২ দিন সময় ও ১০-১২ হাজার টাকা দাবি করেন।

অন্যদিকে, রেজিস্ট্রি অফিসের নাইটগার্ড মানিক দলিল দাতাদের আশ্বস্ত করে বলেন, মাত্র ৪ হাজার টাকায় তিনি সংশোধন করে দেবেন।

দলিল লেখক রুহুল আমিন (সনদ নং ৮০) দৈনিক কালবেলাকে বলেন, “এটা নিছক টাইপিং ভুল। তবে ঠিক করতে কিছু সময় ও খরচ লাগবে।”

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার তানবীর আলম কালবেলাকে জানান,“একটি দলিল সম্পূর্ণ বা অসম্পূর্ণ হয় না। অনেক সময় একাধিক স্থানে ভুল হতে পারে। তবে এজন্য দলিল বাতিল হয়ে যায় না। সংশোধনের নিয়ম রয়েছে।”


নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রেজিস্ট্রি অফিসের অবিশ্বাস্য কেলেঙ্কারি: দাতার ৮ শতাংশ, গ্রহীতার নামে ১৮ শতাংশ

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 

ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে আবারও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছে। প্রায়ই এখানে দাগ, খতিয়ান কিংবা নির্ধারিত মৌজার পরিবর্তে অন্য মৌজা দেখিয়ে কিংবা নাল সম্পত্তি দেখিয়ে বহুতল ভবনের দলিল সম্পাদনের ঘটনা ঘটে থাকে। ফলে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সর্বশেষ ঘটনায় ৮ শতাংশ সম্পত্তির দলিলে গ্রহীতার নামে ১৮ শতাংশ উল্লেখ করার প্রমাণ মিলেছে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে ৬৯৭৪ নং দলিলে দাতা ফাতেমা বেগম (৩ শতাংশ / ০.০৩০০), জাকিয়া বেগম (২ শতাংশ ৫৫ পয়েন্ট / ০.০২৫৫) ও খাদিজা বেগম (২ শতাংশ ৫৫ পয়েন্ট / ০.০২৫৫) মোট ৮ শতাংশ ১০ পয়েন্ট সম্পত্তি বিক্রি করেন। কিন্তু দলিলের গ্রহীতা কলামে রহস্যজনকভাবে ১৮ শতাংশ ১০ পয়েন্ট (০.১৮১০) উল্লেখ করা হয়। ওইদিনই দলিলের নকল কপি সংগ্রহের পর জালিয়াতির বিষয়টি নজরে আসে।

এ নিয়ে দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে তারা দলিল লেখক রুহুল আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে তিনি দাবি করেন, “শূন্যের জায়গায় এক বসে গেছে। টাইপিং করতে গিয়ে এ ধরনের ভুল হয়েছে।” একইসাথে তিনি দলিল সংশোধনের জন্য ১০-১২ দিন সময় ও ১০-১২ হাজার টাকা দাবি করেন।

অন্যদিকে, রেজিস্ট্রি অফিসের নাইটগার্ড মানিক দলিল দাতাদের আশ্বস্ত করে বলেন, মাত্র ৪ হাজার টাকায় তিনি সংশোধন করে দেবেন।

দলিল লেখক রুহুল আমিন (সনদ নং ৮০) দৈনিক কালবেলাকে বলেন, “এটা নিছক টাইপিং ভুল। তবে ঠিক করতে কিছু সময় ও খরচ লাগবে।”

এ বিষয়ে সাব-রেজিস্ট্রার তানবীর আলম কালবেলাকে জানান,“একটি দলিল সম্পূর্ণ বা অসম্পূর্ণ হয় না। অনেক সময় একাধিক স্থানে ভুল হতে পারে। তবে এজন্য দলিল বাতিল হয়ে যায় না। সংশোধনের নিয়ম রয়েছে।”