ফরিদগঞ্জের মধ্য চাঁদপুর গ্রামে সম্পত্তিগত বিরোধের জেরে ভাইদের হাতে ভাই খু_ন ।। আটক ৩ জন
- আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘদিন যাবত চলছে সম্পত্তিগত বিরোধ, স্থানীয়ভাবে একাধিবার সালিশি বৈঠকে হয়নি সমাঝোতা। চলমান বিরোধের জেরে চলছে আদালতে মামলা। সেই বিরোধকে কেন্দ্র ভাইদের হাতে মারধর ও হাতুরির আঘাতে খাজা আহাম্মদ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের মধ্য চাঁদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে আরেক ভাইয়ের গাছের ডাল কাটাকে কেন্দ্র মারামারি শুরু হয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত দুই ভাই নুর মোহাম্মদ খান(৫৮), শাহজালাল (৪০) ও শাহজালালের স্ত্রী আছমা আক্তার লিজা (৩৩) কে আটক করেছে। এ ঘটনায় শাহজালাল আহত হওয়ায় সে পুলিশি হেফাজতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
নিহত খাজা আহাম্মদ এর আরেক ভাই অলি উল্ল্যাহর স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫) রাতে তার বসত ঘরে তা ভাসুর শাহজালাল ঘরের পাশের গাছের ডাল কাটলে তা তার ঘরে পড়ে। এতে তার ঘরটি ভেঙ্গে পড়ার উপক্রম হয়। বিষয়টি তিনি তার আরেক ভাসুর খাজা আহাম্মদকে জানান। এই বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটে। হাতুড়ির আঘাতে গুরতর আহত খাজা আহাম্মদকে রাতেই চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ফরিদ আহমেদ খাজা আহাম্মদ এর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়বাসিন্দা মমিন হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন যাবত তাদের উভয়ের মাঝে সম্পত্তিগত বিরোধ চলমান ছিলো। একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠক হলেও সমাঝোতা না হওয়ায় আদালতে মামলা চলছে। গতকাল বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তাদের এক ভাই অলি উল্ল্যাহর বসতঘরের উপর গাছের ডাল পড়াকে কেন্দ্র করে পূর্বের বিরোধের জেরে মারামারি হয়। এসময় খাজে আহমেদ মারা যায়। আমরা সচেতন মানুষ হিসেবে এ ঘটনার সুস্থ বিচার চাই।
মৃত খাজা আহাম্মদ’র ছেলে সৌদি প্রবাসী শ্রাবন আহমেদ রাকিব বলেন, আমরা প্রবাসে থাকায় আমার জেঠা নুর মোহাম্মদ খান ও চাচা শাহজালালগংরা আমার পরিবারের ওপর অনেক অন্যায় অবিচার করেছে। শেষ পর্যন্ত তারা আমার বাবাকে মেরেই ফেলছে, আমার বাবাকে হত্যার সঠিক বিচার চাই।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, খুনের ঘটনায় আইনী প্রক্রিয়া শেষে খাজে আহমেদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। আটক ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।












