ফরিদগঞ্জ ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ঘিরে অভিযোগের পাহাড় ফরিদগঞ্জে জরুরি বিভাগ চিকিৎসা নিতে ডিমান্ড করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ।। ভিডিও ভাইরাল ফরিদগঞ্জে নানা আয়োজনে হাদিয়া ফাউন্ডেশনের পঞ্চম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন এক জমি দুইবার রেজিস্ট্রি ফরিদগঞ্জে খেলার মাঠ পুনরুদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন চাকরি ফেরানোর স্বপ্নে প্রধান শিক্ষকে দেড় লাখ টাকা ঘুষ ফরিদগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ফরিদগঞ্জে নিয়োগের পর ৬ মাসই অনুপস্থিত, হঠাৎ হাজিরা খাতায় সই ফরিদগঞ্জে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার অঙ্গীকার নিয়ে মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্বোধন ফরিদগঞ্জে শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন : সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৬ ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ঘিরে অভিযোগের পাহাড়

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে
ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয় এবং তা না দিলে দলিলের কাজ বিলম্বিত হয়, এমন অভিযোগ করেছেন কয়েকজন দলিল লেখক ও প্রত্যক্ষদর্শী। তাদের দাবি, দলিলপ্রতি ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।
দলিল লেখক মোহাম্মদ মোস্তফা দাবি করেন, দিনের শেষে এই অর্থের হিসাব অফিসে দেওয়া হয় এবং পরে জেলা রেজিস্ট্রার, সাব-রেজিস্ট্রার, মোহরার ও পিয়নদের মধ্যে ভাগ করা হয়। তিনি বলেন, ‘টাকা না দিলে কোনো উপায় নেই, দিতেই হবে।’ তবে তার দাবির সমর্থনে কোনো নথি বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কাগজপত্রে সমস্যা থাকলে তা সমাধানের জন্যও অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন মোস্তফা। এ কাজে নাইটগার্ড মো. মাইন উদ্দিন মানিকের ভূমিকা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন তিনি।
দলিল লেখক মো. ইউনুছ আলী সমিতির অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ করেন। তার দাবি, বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও নির্বাচন না দিয়ে দায়িত্বে থাকা হচ্ছে। সমিতির সভাপতি আবদুল কাদের পাটওয়ারী বলেন, সদস্যদের কল্যাণে সমিতির অর্থ রাখা হয়। কোনো দলিল লেখক মারা গেলে তার পরিবারকে ৩ লাখ টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সরকারি বেতনভুক্ত মোহরারের কাছে সমিতির টাকা রাখার বিষয়ে তিনি ক্যাশিয়ারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে অফিসের মোহরার মো. মামুন বলেন, এ ধরনের অর্থ আগে নেওয়া হলেও এখন আর নেওয়া হয় না । তার দাবি প্রায় দুই মাস ধরে তা বন্ধ রয়েছে। সাব-রেজিস্ট্রার তানভীর আলমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। জেলা রেজিস্ট্রার মো. আকবর আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ঘিরে অভিযোগের পাহাড়

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সরকারি ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয় এবং তা না দিলে দলিলের কাজ বিলম্বিত হয়, এমন অভিযোগ করেছেন কয়েকজন দলিল লেখক ও প্রত্যক্ষদর্শী। তাদের দাবি, দলিলপ্রতি ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।
দলিল লেখক মোহাম্মদ মোস্তফা দাবি করেন, দিনের শেষে এই অর্থের হিসাব অফিসে দেওয়া হয় এবং পরে জেলা রেজিস্ট্রার, সাব-রেজিস্ট্রার, মোহরার ও পিয়নদের মধ্যে ভাগ করা হয়। তিনি বলেন, ‘টাকা না দিলে কোনো উপায় নেই, দিতেই হবে।’ তবে তার দাবির সমর্থনে কোনো নথি বা প্রত্যক্ষ প্রমাণ পাওয়া যায়নি। কাগজপত্রে সমস্যা থাকলে তা সমাধানের জন্যও অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় বলে অভিযোগ করেন মোস্তফা। এ কাজে নাইটগার্ড মো. মাইন উদ্দিন মানিকের ভূমিকা রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন তিনি।
দলিল লেখক মো. ইউনুছ আলী সমিতির অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ করেন। তার দাবি, বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হলেও নির্বাচন না দিয়ে দায়িত্বে থাকা হচ্ছে। সমিতির সভাপতি আবদুল কাদের পাটওয়ারী বলেন, সদস্যদের কল্যাণে সমিতির অর্থ রাখা হয়। কোনো দলিল লেখক মারা গেলে তার পরিবারকে ৩ লাখ টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সরকারি বেতনভুক্ত মোহরারের কাছে সমিতির টাকা রাখার বিষয়ে তিনি ক্যাশিয়ারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন।
অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে অফিসের মোহরার মো. মামুন বলেন, এ ধরনের অর্থ আগে নেওয়া হলেও এখন আর নেওয়া হয় না । তার দাবি প্রায় দুই মাস ধরে তা বন্ধ রয়েছে। সাব-রেজিস্ট্রার তানভীর আলমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি। জেলা রেজিস্ট্রার মো. আকবর আলীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।